বর্তমান সময়ে পেশা বা একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের চাহিদা আকাশচুম্বী বলা যায়। দেশীয় কোম্পানিগুলোয় একজন ডিজিটাল মার্কেটারের কাজের ক্ষেত্র যেরকম তৈরি হচ্ছে, ঠিক সেভাবে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোয়ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজের জন্য ক্লায়েন্টরা প্রতিদিন জব পোস্ট করে যাচ্ছে। ওয়েব দুনিয়ায় মার্কেটিং করার জন্য যত ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় এগুলোই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং কী? কীভাবে করতে হয়? এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু এসব নিয়ে যুগান্তরের ধারাবাহিক আয়োজনের আজ দ্বিতীয় পর্ব। লিখেছেন ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ- বিএনএস বাহার।

প্রথম পর্বের অনলাইন গণমাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং অনপেজ এসইও অপটিমাইজেশন বিষয়ে আলোচনার পর আজ থাকছে অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন ও টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন।

অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন : অফপেজ বা ওয়েবসাইটের বাইরে অপটিমাইজেশন। অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন বলতে আমরা সাধারণত বুঝি ব্যাকলিঙ্ক। আসলে এখানে শুধু ব্যাকলিঙ্ক ছাড়ও অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে। যেমন : কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস, কম্পিটিটর ডেটা হ্যাক, হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডিং ইত্যাদি।

কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস : কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস বলতে বোঝায় মার্কেট রিসার্চ। কম্পিটিটর কী করছে, কীভাবে করছে, কেন করছে, মার্কেটিং প্ল্যান? যতদূর সম্ভব সেগুলোর একটি চেক লিস্ট বের করা। কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস ছাড়া সাইট র‌্যাঙ্ক করানো প্রায় অসম্ভব।

কম্পিটিটর ডেটা হ্যাক : শুধু কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস করলে হবে না। কম্পিটিটরদের সম্পর্কে রেগুলার আপডেট রাখতে হবে। অর্থাৎ কম্পিটিটরদের ডাটা কীভাবে পাওয়া যায় সেটার সুবুদ্ধি বের করে সে অনুযায়ী প্ল্যানিং করে কাজ করতে হবে।

ওয়েব ২.০ : ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ কন্টেক্সচুয়াল ব্যাকলিঙ্কের সোর্স ওয়েব ২.০। শত ওয়েব ২.০ সাইটের মধ্য থেকে পছন্দেরগুলোয় অ্যাকাউন্ট করে একাধিক আর্টিকেল পোস্ট করে সেখান থেকে নিজের সাইটে ব্যাকলিঙ্ক নেয়া যায়।

লোকাল লিস্টিং : বিভিন্ন বিজনেস লিস্টিং সাইট আছে সেগুলোয় সাইট অ্যাড করা।

প্রোফাইল ব্যাকলিঙ্ক : বিভিন্ন সাইটে প্রোফাইল ওপেন করে সেই প্রোফাইলে আপনার সাইটের লিঙ্ক অ্যাড করতে পারেন।

জেনুইন কমেন্টিং : কিছু সাইট আছে যেগুলোয় কমেন্ট করা যায়। কন্টেন্ট পড়ে রিলিভেন্ট কমেন্ট করবেন এবং সঙ্গে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়ে আসবেন।

ফটো শেয়ারিং : অনেক ফটো শেয়ারিং সাইট রয়েছে যেগুলোয় ফটো দেয়ার সময় কন্টেন্ট সোর্স হিসেবে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ইউজ করতে পারেন।

আসলে লিঙ্ক বিল্ডিং একটা চলমান পক্রিয়া। হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডিং আরও অনেকভাবে করা যায়।

টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন : টেকনিক্যাল এসইও বলতে বোঝায় সার্চ ইঞ্জিনের র‌্যাংকিংয়ে আসার জন্য একটি ওয়েবসাইটকে র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর অনুযায়ী অপটিমাইজ করা।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

গুগল ওয়েবমাস্টার : এসইও নিয়ে কাজ করার জন্য গুগল ওয়েবমাস্টার জানাটা অত্যাবশ্যক। গুগল ওয়েবমাস্টার হচ্ছে গুগলের নিজস্ব ফ্রি সার্ভিস, যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে মনিটর এবং মেইনটেইন করা যায়। গুগলে ওয়েবসাইটকে ইনডেক্স করতে গুগল ওয়েবমাস্টার টুল বা গুগল সার্চ কনসোল-এ সাইনআপ করতে হয়। একটি জি-মেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ওয়েবসাইটের নামে গুগল ওয়েবমাস্টার অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

গুগল ওয়েবমাস্টার নিয়ে কিছু টিপস-

সাইটম্যাপ : ওয়েবসাইটের সাইটম্যাপ গুগল ওয়েবমাস্টারে সাবমিট করতে হয়। যার ফলে গুগল ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট এবং আপডেট খুব সহজেই দ্রুত ইন্ডেক্স করে। পাশাপাশি ইন্ডেক্সিং রিপোর্ট তৈরি করে।

কন্টেন্ট : ওয়েবসাইটের প্রায় সব কন্টেন্ট মনিটরিং করে গুগল ওয়েবমাস্টার। কোনো কন্টেন্ট কত ইম্প্রেশন হল এবং কতজন ভিজিটর কন্টেন্টটি পড়েছে সেটি বের করা যায়। ফলে আমরা সহজেই বুঝতে পারি কোন ধরনের কন্টেন্ট দিলে মানুষ পড়বে।

ইন্টারন্যাশনাল টার্গেটিং : দেশভিত্তিক এবং ভাষাকেন্দ্রিকভাবে কন্টেন্ট গুগল ইন্ডেক্স করে থাকে। একটি ওয়েবসাইট কোন দেশে র‌্যাংক করাতে চান সেটি ওয়েবমাস্টারকে নির্বাচন দিতে হবে। তাহলে সে অনুযায়ী সাইট র‌্যাংক হবে।

সার্চ রেজাল্ট ও ক্লিক : ভিজিটর কোনো ধরনের কিওয়ার্ড গুগলে সার্চ দিয়ে আপনার সাইটে আসছে সেটির রিপোর্ট দেখা যায়। টোটাল ওয়েবসাইট ইম্প্রেশন ও টোটাল ক্লিক খুব সহজেই বের করা যায় গুগল ওয়েবমাস্টারের সাহায্যে।

ওয়েবসাইট লোড টাইম : ওয়েবসাইটের লোড টাইম কত তা খুব সহজেই বের করা যায়। সাইটের লোড টাইম যদি বেশি হয় তাহলে পাঠক নিউজ কম পড়বে। এমনও হতে পারে পাঠক বিরক্ত হয়ে সাইট থেকে বের হয়ে চলে যাবে। সাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যাবে। ফলে সাইটের লোড টাইম কমাতে হবে যাতে ভিজিটর বিরক্ত না হয় এবং বেশিক্ষণ সাইটে অবস্থান করে।

মোবাইল ফ্রেন্ডলি : নিউজ ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মোট পাঠকের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ পাঠক নিউজ পড়ে মোবাইল ডিভাইস দিয়ে। সুতরাং ওয়েবসাইটকে অবশ্যই মোবাইল ফ্রেন্ডলি তৈরি করতে হবে। গুগল ওয়েবমাস্টারে ওয়েবসাইট মোবাইল ফ্রেন্ডলি রিপোর্ট পাওয়া যায়।

সিকিউরিটি : হ্যাকাররা ওতপেতে বসে থাকে ওয়েবসাইট হ্যাক করার জন্য। ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি সংক্রান্ত কোনো ইস্যু থাকলে সেটা গুগল ওয়েবমাস্টার নোটিফিকেশন দিয়ে জানিয়ে দেয়।

গুগল মাই বিজনেস : গুগল মাই বিজনেস গুগলের একটি সার্ভিস যা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার অনলাইন উপস্থিতির জানান দেয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে গুগলে সার্চ করলে পিসিতে ডান পাশে এবং মোবাইলে ওপরের দিকে একটা বক্সের মধ্যে বিজনেস লোকেশন, ফটো, অ্যাড্রেসসহ বিভিন্ন তথ্য দেখা যায়। এটি মূলত গুগল মাই বিজনেস দিয়ে ক্রিয়েট করতে হয়। যেমন- বিজনেসের নাম, ক্যাটাগরি, লোকেশন, অ্যাড্রেস, বিজনেস আওয়ার, ফোন নম্বর, ওয়েবসাইট, ম্যাপ লিস্টিং ইত্যাদি।

গুগল অ্যানালাইটিক্স : গুগল অ্যানালাইটিক্স টুলস গুগলের একটি ফ্রি সেবা। যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন-

-ভিজিটরের রিয়েলটাইম রিপোর্ট

-ভিজিটরের অবস্থানকাল

-ভিজিটরের সংখ্যা

-রেফারেল সাইটের লিস্ট

-সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটরের সংখ্যা

-ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট

-তুলনামূলক রিপোর্ট

বর্তমান সময়ে পেশা বা একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের চাহিদা আকাশচুম্বী বলা যায়। দেশীয় কোম্পানিগুলোয় একজন ডিজিটাল মার্কেটারের কাজের ক্ষেত্র যেরকম তৈরি হচ্ছে, ঠিক সেভাবে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোয়ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজের জন্য ক্লায়েন্টরা প্রতিদিন জব পোস্ট করে যাচ্ছে। ওয়েব দুনিয়ায় মার্কেটিং করার জন্য যত ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় এগুলোই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং কী? কীভাবে করতে হয়? এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু এসব নিয়ে যুগান্তরের ধারাবাহিক আয়োজনের আজ দ্বিতীয় পর্ব। লিখেছেন ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ- বিএনএস বাহার।

প্রথম পর্বের অনলাইন গণমাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং অনপেজ এসইও অপটিমাইজেশন বিষয়ে আলোচনার পর আজ থাকছে অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন ও টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন।

অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন : অফপেজ বা ওয়েবসাইটের বাইরে অপটিমাইজেশন। অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন বলতে আমরা সাধারণত বুঝি ব্যাকলিঙ্ক। আসলে এখানে শুধু ব্যাকলিঙ্ক ছাড়ও অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে। যেমন : কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস, কম্পিটিটর ডেটা হ্যাক, হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডিং ইত্যাদি।

কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস : কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস বলতে বোঝায় মার্কেট রিসার্চ। কম্পিটিটর কী করছে, কীভাবে করছে, কেন করছে, মার্কেটিং প্ল্যান? যতদূর সম্ভব সেগুলোর একটি চেক লিস্ট বের করা। কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস ছাড়া সাইট র‌্যাঙ্ক করানো প্রায় অসম্ভব।

কম্পিটিটর ডেটা হ্যাক : শুধু কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস করলে হবে না। কম্পিটিটরদের সম্পর্কে রেগুলার আপডেট রাখতে হবে। অর্থাৎ কম্পিটিটরদের ডাটা কীভাবে পাওয়া যায় সেটার সুবুদ্ধি বের করে সে অনুযায়ী প্ল্যানিং করে কাজ করতে হবে।

ওয়েব ২.০ : ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ কন্টেক্সচুয়াল ব্যাকলিঙ্কের সোর্স ওয়েব ২.০। শত ওয়েব ২.০ সাইটের মধ্য থেকে পছন্দেরগুলোয় অ্যাকাউন্ট করে একাধিক আর্টিকেল পোস্ট করে সেখান থেকে নিজের সাইটে ব্যাকলিঙ্ক নেয়া যায়।

লোকাল লিস্টিং : বিভিন্ন বিজনেস লিস্টিং সাইট আছে সেগুলোয় সাইট অ্যাড করা।

প্রোফাইল ব্যাকলিঙ্ক : বিভিন্ন সাইটে প্রোফাইল ওপেন করে সেই প্রোফাইলে আপনার সাইটের লিঙ্ক অ্যাড করতে পারেন।

জেনুইন কমেন্টিং : কিছু সাইট আছে যেগুলোয় কমেন্ট করা যায়। কন্টেন্ট পড়ে রিলিভেন্ট কমেন্ট করবেন এবং সঙ্গে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়ে আসবেন।

ফটো শেয়ারিং : অনেক ফটো শেয়ারিং সাইট রয়েছে যেগুলোয় ফটো দেয়ার সময় কন্টেন্ট সোর্স হিসেবে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ইউজ করতে পারেন।

আসলে লিঙ্ক বিল্ডিং একটা চলমান পক্রিয়া। হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডিং আরও অনেকভাবে করা যায়।

টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন : টেকনিক্যাল এসইও বলতে বোঝায় সার্চ ইঞ্জিনের র‌্যাংকিংয়ে আসার জন্য একটি ওয়েবসাইটকে র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর অনুযায়ী অপটিমাইজ করা।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

গুগল ওয়েবমাস্টার : এসইও নিয়ে কাজ করার জন্য গুগল ওয়েবমাস্টার জানাটা অত্যাবশ্যক। গুগল ওয়েবমাস্টার হচ্ছে গুগলের নিজস্ব ফ্রি সার্ভিস, যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে মনিটর এবং মেইনটেইন করা যায়। গুগলে ওয়েবসাইটকে ইনডেক্স করতে গুগল ওয়েবমাস্টার টুল বা গুগল সার্চ কনসোল-এ সাইনআপ করতে হয়। একটি জি-মেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ওয়েবসাইটের নামে গুগল ওয়েবমাস্টার অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

গুগল ওয়েবমাস্টার নিয়ে কিছু টিপস-

সাইটম্যাপ : ওয়েবসাইটের সাইটম্যাপ গুগল ওয়েবমাস্টারে সাবমিট করতে হয়। যার ফলে গুগল ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট এবং আপডেট খুব সহজেই দ্রুত ইন্ডেক্স করে। পাশাপাশি ইন্ডেক্সিং রিপোর্ট তৈরি করে।

কন্টেন্ট : ওয়েবসাইটের প্রায় সব কন্টেন্ট মনিটরিং করে গুগল ওয়েবমাস্টার। কোনো কন্টেন্ট কত ইম্প্রেশন হল এবং কতজন ভিজিটর কন্টেন্টটি পড়েছে সেটি বের করা যায়। ফলে আমরা সহজেই বুঝতে পারি কোন ধরনের কন্টেন্ট দিলে মানুষ পড়বে।

ইন্টারন্যাশনাল টার্গেটিং : দেশভিত্তিক এবং ভাষাকেন্দ্রিকভাবে কন্টেন্ট গুগল ইন্ডেক্স করে থাকে। একটি ওয়েবসাইট কোন দেশে র‌্যাংক করাতে চান সেটি ওয়েবমাস্টারকে নির্বাচন দিতে হবে। তাহলে সে অনুযায়ী সাইট র‌্যাংক হবে।

সার্চ রেজাল্ট ও ক্লিক : ভিজিটর কোনো ধরনের কিওয়ার্ড গুগলে সার্চ দিয়ে আপনার সাইটে আসছে সেটির রিপোর্ট দেখা যায়। টোটাল ওয়েবসাইট ইম্প্রেশন ও টোটাল ক্লিক খুব সহজেই বের করা যায় গুগল ওয়েবমাস্টারের সাহায্যে।

ওয়েবসাইট লোড টাইম : ওয়েবসাইটের লোড টাইম কত তা খুব সহজেই বের করা যায়। সাইটের লোড টাইম যদি বেশি হয় তাহলে পাঠক নিউজ কম পড়বে। এমনও হতে পারে পাঠক বিরক্ত হয়ে সাইট থেকে বের হয়ে চলে যাবে। সাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যাবে। ফলে সাইটের লোড টাইম কমাতে হবে যাতে ভিজিটর বিরক্ত না হয় এবং বেশিক্ষণ সাইটে অবস্থান করে।

মোবাইল ফ্রেন্ডলি : নিউজ ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মোট পাঠকের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ পাঠক নিউজ পড়ে মোবাইল ডিভাইস দিয়ে। সুতরাং ওয়েবসাইটকে অবশ্যই মোবাইল ফ্রেন্ডলি তৈরি করতে হবে। গুগল ওয়েবমাস্টারে ওয়েবসাইট মোবাইল ফ্রেন্ডলি রিপোর্ট পাওয়া যায়।

সিকিউরিটি : হ্যাকাররা ওতপেতে বসে থাকে ওয়েবসাইট হ্যাক করার জন্য। ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি সংক্রান্ত কোনো ইস্যু থাকলে সেটা গুগল ওয়েবমাস্টার নোটিফিকেশন দিয়ে জানিয়ে দেয়।

গুগল মাই বিজনেস : গুগল মাই বিজনেস গুগলের একটি সার্ভিস যা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার অনলাইন উপস্থিতির জানান দেয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে গুগলে সার্চ করলে পিসিতে ডান পাশে এবং মোবাইলে ওপরের দিকে একটা বক্সের মধ্যে বিজনেস লোকেশন, ফটো, অ্যাড্রেসসহ বিভিন্ন তথ্য দেখা যায়। এটি মূলত গুগল মাই বিজনেস দিয়ে ক্রিয়েট করতে হয়। যেমন- বিজনেসের নাম, ক্যাটাগরি, লোকেশন, অ্যাড্রেস, বিজনেস আওয়ার, ফোন নম্বর, ওয়েবসাইট, ম্যাপ লিস্টিং ইত্যাদি।

গুগল অ্যানালাইটিক্স : গুগল অ্যানালাইটিক্স টুলস গুগলের একটি ফ্রি সেবা। যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন-

-ভিজিটরের রিয়েলটাইম রিপোর্ট

-ভিজিটরের অবস্থানকাল

-ভিজিটরের সংখ্যা

-রেফারেল সাইটের লিস্ট

-সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটরের সংখ্যা

-ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট

-তুলনামূলক রিপোর্ট

-সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, লিঙ্কডিন ইত্যাদি) থেকে ভিজিটরের সংখ্যা ইত্যাদি।

-সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, লিঙ্কডিন ইত্যাদি) থেকে ভিজিটরের সংখ্যা ইত্যাদি।

Content Protection by DMCA.com